Blog

Facebook Add Account Request-মেটা অথোরাইজড সেলস পার্টনার

মেটার  অথোরাইজড প্রিপেইড এড একাউন্ট কি?  মেটা ২০২০ এর জুন মাসে এইচটিটিপুল কে বাংলাদেশের অথোরাইজড সেলস পার্টনার হিসেবে গ্রহণ করে। যাতে করে বাংলাদেশের বড় বড় ব্রান্ড,বড় বড় ই-কমার্স ও অন্যান্য বড় প্রতিষ্ঠানকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ফেসবুক মার্কেটিং সার্ভিস ও ফেসবুক এডস এর সার্ভিস দিতে পারে।

মেটার পরিচয় – আপনারা নিশ্চয়ই জানেন,ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করে মেটা (Meta) রাখার ঘোষণা দেয়।
🎯  মেটা অথোরাইজড সেলস পার্টনারদের কাজ কি-
ইকমার্স বা অনলাইন বিজনেস গুলোর জন্য বিজ্ঞাপনের  সঠিক স্ট্রাটেজি (কৌশল) নির্বাচন করতে সাহায্য করে ।
✅ এড রান করতে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা ও তাদের নিজস্ব এড একাউন্ট থেকে এড রান করার সুযোগ দেয়। এতে করে নিজের কোনো কার্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই । তাদের একাউন্ট সহজে ডিজেবল্ড বা হ্যাক হবার ও কোনো ভয় নেই
✅ তারা মাঝেমধ্যে বিভন্ন ভার্চুয়াল মিটিং  এর মাধ্যমে ক্যাম্পেইন বা এডস তৈরির সঠিক দিক দির্দেশনা দেয়।🎯  অথোরাইজড সেলস পার্টনার মানে কি?

✅ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মেটার ভিন্ন ভিন্ন অথোরাইজড সেলস পার্টনার রয়েছে। মেটা চুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন বড় বড় এড কোম্পানিগুলোকে অথোরাইজড সেলস পার্টনার হিসেবে গ্রহণ করে।  তারা নির্দিষ্ট দেশগুলোতে মেটার সেবা দেওয়ার মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবসাগুলোকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। তেমনিভাবে আমাদের এশিয়া মহাদেশে গুলোতে অথোরাইজড সেলস পার্টনার হিসাবে আছে httpool (এইচটিটিপুল)। তারা ছোট-বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলোকে মেটার সব প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন সেবা দিয়ে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম সেবা হলো,তাদের এজেন্সি এড একাউন্ট বা অথোরাইজড এড একাউন্ট।

🎯  কেন এজেন্সি একাউন্ট এতো গুরুত্বপূর্ণ ?

✅ ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় হলো একটা শক্তিশালী এড একাউন্ট। এইচটিটিপুলের এডস একাউন্টে যেহেতু ফেসবুক বা মেটা কর্তৃক এইচটিটিপুলের ক্রেডিট লাইন (পেমেন্ট মেথড) যুক্ত থাকায় এই একাউন্ট গুলোকে অথোরাইজড এড একাউন্ট বা এজেন্সি একাউন্ট বলা হয়। আমাদের দেশ ছাড়া অন্য দেশগুলোতে এইচটিটিপুলের একাউন্ট গুলো এজেন্সি একাউন্ট নামে সর্বাধিক পরিচিত।

আমার তো ব্যাংকের কার্ড আছে তাহলে কেন আমি এই একাউন্ট ব্যবহার করবো?

🎯  অনেকগুলো কারণ রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটি বিশেষ সুবিধা আলোচনা করবো-

✅ বাংলাদেশে অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা ই-কমার্স ব্যবসা করেন কিন্তু তাদের নিজস্ব ডুয়াল ক্যারেন্সি কোনো কার্ড না থাকায় তারা কোনো এজেন্সির সহোযোগিতায় নিজের বিজ্ঞাপন করিয়ে নিয়ে থাকেন। আবার অন্যদিকে ডুয়াল ক্যারেন্সি কার্ডের জন্য নিজের পাসপোর্ট থাকতে হয়। আর সামর্থ্য থাকা সত্বেও অনেকে পাসপোর্ট করেন না বিভিন্ন কারণে।
কিন্তু এই এজেন্সি একাউন্ট কোনো প্রকার কার্ড ছাড়াই নেওয়া যায়।🎯  দ্বিতীয়ত লিমিট-

✅ আপনারা নিশ্চয়ই জানেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যাক্তি তার পাসপোর্ট এর অধীনে বছরে ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে পারবে না। অনেক ব্যবসায়ী আছে যাদের দিনে ১ হাজার ডলার খরচ করেন।
এজেন্সি একাউন্ট নিলে আপনি চাইলে দিনে ইচ্ছেমতো বেশি ডলার খরচ করতে পারবেন চাই দিনে এক হাজার ডলার হোক বা এক লাখ ডলার।🎯  পেমেন্ট ডিকলাইন ইস্যু
✅  বাংলাদেশের কার্ডগুলোর একটা বড় সমস্যা হলো এই কার্ড দিয়ে একটা সিংগেল ট্রাঞ্জেকশন এ ৩০০ ডলারের বেশি পেমেন্ট করা যায় না। আর যখন পেমেন্ট এর থ্রোশহোল্ড ৩০০ ডলারের উপরে হয়ে যায় তখন ফেসবুক অটো পেমেন্ট নিতে পারে না,  ফলে আমাদের অনিচ্ছা সত্বেও বারবার পেমেন্ট ফেইল্ডের কারণে আমাদের সবচেয়ে দামী একাউন্টটি ডিজেবল্ড হয়ে যায়। এই একাউন্ট গুলো যেহেতু পূর্বে থেকেই ডলার ডিপোজিট করা থাকে সেক্ষেত্রে একাউন্টের ডলার শেষ হলেও একাউন্টের কিছুই হবে না। ডলার পুনরায় ডিপোজিট করার সাথে সাথেই আবার পূর্বের অসম্পূর্ণ এডস গুলো অটো রান হয়ে যাবে। আর একাউন্ট থাকবে একদম সুরক্ষিত।

🎯  পেমেন্ট ফেইল্ড ইস্যু –

✅ অনেক সময় কার্ডে যথেষ্ট টাকা থাকা সত্বেও ব্যাংকের সিস্টেম বা সার্ভার জনিত ফেসবুক পেমেন্ট নিতে পারে না, ফলে বহু পুরনো একাউন্টটিও ডিজেবল্ড হয়ে যায়। দুই একবার ঠিক করা গেলেও এক সময় একাউন্ট পার্মানেন্ট ডিজেবল্ড হয়ে যায়। আর নিজের এড একাউন্ট ডিজেবল্ড হওয়া যে কতটা হতাশাজনক তা কেবলমাত্র ভুক্তভোগীই উপলব্ধি করতে পারে।

🎯  কিন্তু এইচটিটিপুলের এই এজেন্সি একাউন্ট এড একাউন্ট পেমেন্ট ইস্যুর কারণে কখনোই ডিজেবল্ড হয় না। তাই পেমেন্ট ইস্য নিয়ে একাউন্ট ডিজেবল্ড হবার কোনো ভয়ই থাকছে না।

#আমার ব্যবসা ছোট আমি কি এই একাউন্ট নিতে পারবো?
✅ আপনার প্রতি মাসে যদি ৪০০ ডলার খরচ করার বাজেট থাকে তাহলেই একটি এজেন্সি একাউন্ট নিতে পারবেন খুব সহজেই।

#একাউন্ট নিলে কি পেজের জন্য বিশেষ কোনো সুবিধা পাবো?

🎯  এখন তো অনেক পেজ কোনো কারণ ছাড়াই ডিজেবল্ড করে দিচ্ছে সেক্ষেত্রে কি কোনো সাপোর্ট পাবো আমি?
✅আপনার পেজ যদি এইচটিটিপুলের একাউন্ট এর সাথে সংযুক্ত থাকে সেক্ষেত্রে তারা আপনার রেস্ট্রেক্টেড বা ডিজেবল্ড হওয়া পেজ টি পুনরায় এড রানের উপযোগী করতে বা পেজটি রিকাভার করতে সাহায্য করবে। তবে সেক্ষেত্রে নিয়মিত খরচ বজায় রাখতে হবে।

একটা একাউন্ট থেকে কি একাধিক পেজে এড রান করা যাবে?

❌ একাধিক পেজে এড রান করা যাবে না,  একটা পেজ একটা এড একাউন্ট।  আপনার যদি একাধিক পেজ থাকে সেক্ষেত্রে শর্ত পূরণ করলেই একাধিক একাউন্ট দেওয়া যাবে।

🎯  ডলার রেইট কত পড়বে?

✅ডলার রেইট যেহেতু ওঠানামা করে সেক্ষেত্রে এটা আমাদের কল বা ম্যাসেজ দিয়ে জেনে নিতে পারেন।
✅ তবে বাংলাদেশের সবচেয়ে কম রেইটে ডলার পাবেন আমাদের কাছে। 🥰🎯  মেটার এজেন্সি এড একাউন্ট কি কখনো ডিজেবল্ড হয় না বা এই একাউন্ট দিয়ে কি সব ধরনের এড রান করা যাবে?
✅ প্রতিটি বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বা এডের প্রচারের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। এবং সবাইকে সেই নিয়ম মেনেই এড দিতে হবে নিয়ম না মানলে সেই প্রতিষ্ঠান নিয়ম লংঘনের দায়ে বিজ্ঞাপনটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। তেমনি ভাবে মেটার বা ফেসবুকে এডস বা বিজ্ঞাপন প্রদানের ও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে, এবং সেই নিয়ম-নীতি মেনে এড রান করলে এড একাউন্ট ডিজেবল্ড হবে না।  🎯 এড একাউন্ট ডিজেবল হলে ঠিক করে দেওয়া হবে। আর যদি ঠিক না হয় তাহলে নতুন একাউন্ট করে দেওয়া হবে আর আগের একাউন্ট যত ব্যালেন্স বা ডলার ছিলো তা নতুন একাউন্ট এ এড করে দেওয়া হবে।

এই একাউন্ট থেকে সেক্সুয়্যাল জাতীয় কোন এডস, হারবাল বা মেডিসিন লটারি বা জুয়া বা আরও অন্যান্য কিছু বিষয়ে এডস দেওয়া যাবে না।

🎯 কেন ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য অথোরাইজড এড একাউন্ট ব্যবহার করা উচিত?
১। মার্কেটিং এর জন্য কোন ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর প্রয়োজন হবে না কারন এখানে রয়েছে ফেসবুকের নিজস্ব পেমেন্ট সিস্টেম।
২। Facebook Authorized Account হওয়ায় ad performance তুলনামূলক ভাবে ভাল হবে।
৩। আজকের ডলার রেট ১২৫। টাকা যেখানে আপনার কার্ড দিয়ে এড চালালে খরচ হয় প্রতি ডলারে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা (ফেসবুকের ১৫% এবং ব্যাংকের ১৫% ভ্যাট সহ)। তাই আপনার কষ্টার্জিত অর্থের সাশ্রয় হয় প্রায় ১০%!!
৪। প্রতি মাসে মার্কেটিং (এড) বাজেট মিনিমাম ৫০০ ডলার থেকে শুরু করে রাখতে পারবেন আনলিমিটেড!!
৫। আপনি একাউন্টে ম্যানেজার হিসেবে থেকে নিজের এড নিজেই রান করতে পারবেন।
৬। আপনার BIN certificate না থাকলেও অতিরিক্ত ১৫% ভ্যাট দেয়া লাগবে না। কারন একাউন্টটি আমাদের বিন দিয়ে ভেরিফাইড
৭। Ad optimization করে performance কিভাবে ভাল করা যায় তার সরাসরি গাইডলাইন পাবেন।
🎯 প্রথমে একাউন্ট নেওয়ার সময় ৩০০ ডলারের টাকা এক সাথে পেমেন্ট করতে হবে।
🎯 পরবর্তীতে মিনিমাম ১০০ ডলার নিতে পারবেন।
🎯 শুক্রবার,শনিবার বন্ধ তাই এই দুটি দিন একাউন্ট এ ডলার/ব্যালেন্স দেওয়া হয় না। তাই বৃহস্পতিবার এ পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যালেন্স নিয়ে নিবেন যাতে রবিবার পর্যন্ত  এড চলে।
🎯 দুপুর ২ টার আগে ডলার বা ব্যালেন্স এর জন্য পেমেন্ট করলে দুপুরের পরেই ব্যালেন্স  আপডেট হয়ে যাবে। আর    দুপুর ২ টার পর পেমেন্ট করলে পরের দিন আপডেট হয়ে যাবে।🎯 এড একাউন্ট ক্রিয়েট করা,একাউন্ট এ ব্যালেন্স দেওয়া , একাউন্ট এর প্রোবলেম দেখা এই  কাজ ফেসবুকের স্পেশাল টিম করে তাই ব্যালেন্স পাঠিয়ে সাথে সাথে কলের পর কল বা ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ দিয়ে না, না দেওয়ার অনুরোধ রইলো।
🎯 একাউন্ট ব্যালেন্স পাঠিয়ে আমাদের স্ক্রিনশট বা ট্রাঞ্জেকশন আইডি দিলে নিজ দায়িত্বে আমরা ব্যালেন্স আপডেট করে দেই নিয়ম অনুযায়ী তাই অস্থির হবার কারণ নেই।
🎯 বিকাশ/রকেট / নগদ বা অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং  এর মাধ্যমে পেমেন্ট করলে অবশ্যই ক্যাশ আউট চার্জ সহ পেমেন্ট করবেন।
🎯 ব্যাংকে পেমেন্ট করলে ক্যাশ আউট চার্জ লাগবে না। আমাদের অনেক ব্যাংকে একাউন্ট আছে আপনার পছন্দের যেকোনো ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন।

🎯 একাউন্ট পেতে ১/৪ কর্মদিবস লাগতে পারে। তাই দয়া করে সময় হাতে নিয়ে একাউন্ট এর জন্য রিকোয়েস্ট করবেন।
🎯 টেকনিক্যাল ইস্যু আমি একা সলভ করি তাই সাহায্য পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *